ঢাকাবুধবার , ২১ এপ্রিল ২০২১
  • অন্যান্য

আখাউড়ায় বাণিজ্যিকভাবে সাম্মাম ফল চাষে ব্যাপক সম্ভাবনা

admin
এপ্রিল ২১, ২০২১ ৩:৫০ পূর্বাহ্ন । ১৬৭ জন
Link Copied!
agrilive24.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন আমাদের ফেসবুক পেজটি





আখাউড়ায় বাণিজ্যিকভাবে সাম্মাম ফল চাষে ব্যাপক সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়ায় প্রথমবারের মতো সৌদি আরবের মরু অঞ্চলের সাম্মাম ফল বাণিজ্যিক ভাবে চাষ হয়েছে। একই সঙ্গে করা হয়েছে বাংলা লিংক জাতের তরমুজ চাষও। এরইমধ্যে দূর-দূরান্ত থেকে প্রতিদিন সাম্মাম ফল ও তরমুজ চাষ প্রকল্প দেখতে এবং নতুন ফল সম্পর্কে জানতে অনেকেই ভিড় করছেন জমিতে।

জানা যায়, উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের আদমপুর গ্রামে দেশীয় পদ্ধতিতে প্রায় ১৫বিঘা জমিতে সাম্মাম ফল ও বাংলা লিঙ্ক নামে তরমুজ চাষ করেন একই ইউনিয়নের ধাতুর পহেলা গ্রামের মো. মুস্তাকিম ও হবিগঞ্জের মাধবপুরের আমজাদ হোসেন। চাষের প্রথম বছরই ওই দুই কৃষক ব্যাপক সফলতা পান। প্রাকৃতিক কোনো দুর্যোগ না হলে এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে সাম্মাম ফল ও তরমুজ বিক্রি থেকে যাবতীয় খরচ বাদে ৪লাখ টাকার উপর তাদের লাভ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

কৃষক আমজাত হোসেন বলেন, সাম্মাম ফলটি মূলত সৌদি আরবের হলেও তারা ঢাকা থেকে বীজ সংগ্রহ করে বিভিন্ন প্রযুক্তির মাধ্যমে দেশীয় পদ্ধতিতে চারা করে আবাদ করেন। আড়াই বিঘা জমির মধ্যে সাম্মাম ফল ও ১২ বিঘা জমিতে বাংলা লিঙ্ক জাতের তরমুজের প্রায় ১৫হাজার চারা রোপণ করা হয়। সাম্মাম ফল প্রতি ১০ গ্রাম বীজ দিয়ে ১৫ শতক জমি করা যায়। একইভাবে তরমুজও। প্রায় ১৫ বিঘা জমিতে সাম্মাম ও তরমুজ চাষ করতে সেচ, বীজ, চারা রোপণ, জমি ইজারা, পরিচর্যা, সারসহ অন্যান্য খরচ হয় তাদের প্রায় ৭লাখ টাকা। এরই মধ্যে দেড় লাখ টাকার সাম্মাম ফল বিক্রি করা হয়েছে। আর ৫০ হাজার টাকার উপর বিক্রি হয়েছে তরমুজ।

উপজেলা সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জহিরুল হক জানান, মূলত সাম্মাম ফলটি সৌদি আরবে সবচেয়ে বেশি আবাদ হয়ে থাকে। আমাদের মাটি এ চাষের জন্য উপযোগী। কৃষক মোস্তাকিম ও আমজাদ হোসেন সাম্মামের পাশাপাশি তরমুজ ও দেশীয় পদ্ধতি চাষ করে ভালো ফলন পেয়েছেন।







Credit: Source link