করোনায় বিপাকে নরসিংদীর মৎস্য খামারিরা

0
74
মাছ





করোনায় বিপাকে পড়েছেন নরসিংদীর মৎস্য খামারিরা। দেশে করোনা সংক্রমণের কারণে বিপাকে পড়েছেন জেলার পলাশ উপজেলার মৎস্য খামারিরা। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পাইকাররা না আসায় কোটি কোটি টাকা হয়েছে এখানকার মৎস্য চাষিদের।

মাছ চাষি আলম মিয়া জানান, ৭ থেকে ৮ বছর আগে মৎস্য চাষিরা মোটামুটি লাভবান ছিল। কাঁচামালের উপর সরকার কর বাড়ানোসহ বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে ফিড মিলের মালিকরা খাদ্যের দাম দ্বিগুণ নির্ধারণ করেছে। ৮ থেকে ১০ বছর আগে বিদেশে মাছ রপ্তানি হতো নিয়মিত। বিশেষ করে কইমাছ তখন আমরা পুকুর থেকে বিক্রি করতে পারতাম ২৫০-৩০০ টাকা কেজি পর্যন্ত।

আরেক মৎস্য চাষি কিরণ আলী প্রধান বলেন, করোনা আসার আগ পর্যন্তও কইমাছ ১৩০-১৪০ টাকা কেজি। পাঙাস ছিল সাইজ বেধে ৮০-১০০ টাকা কেজি। তেলাপিয়া ছিল ১২০-১৫০ টাকা কেজি। পাবদা মাছ ৫০০-৬০০ টাকা কেজি। গুলশা ৬০০-৭০০ টাকা। শিং ৪০০-৫০০ টাকা কেজি। আগে বিদেশে মাছ রপ্তানি হতো, বর্তমানে তাও বন্ধ।

প্রতি কেজি মাছ উৎপাদন খরচের চেয়ে ৩০ থেকে ৪০ টাকা কমে বিক্রি করতে হয়। আমাদের এই অঞ্চলের মাছ ঢাকা মুখী হওয়ার কারণে বাজার মূল্য কম। কারণ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কলকারখানা বন্ধ ও পরিবহন সেক্টর বেশির ভাগ বন্ধই রয়েছে। যার কারণে মাছ পরিবহনের ব্যবস্থাও এখন আর তেমন নেই। রপ্তানি বন্ধ হওয়ার পর থেকে এই পর্যন্ত প্রায় ১০ কোটি টাকা লোকসান গুনতে হয়েছে। আমার ব্যাংক ঋণ ২ কোটি টাকা।

উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা সফিকুল আলম জানান, এ উপজেলায় প্রচুর পরিমাণে মৎস্য খামার রয়েছে। খামারিদের সবচেয়ে বড় যে সমস্যাটি রয়েছে, তাদের বৈদ্যুতিক চার্য বর্তমানে কমার্শিয়াল হারে নেওয়া হচ্ছে। তাদের দাবি যাতে আবাসিক হারে বৈদ্যুতিক বিল ধার্য করা হয়।


আরও পড়ুনঃ বাড়িতেই মাছের খাদ্য তৈরি করার উপায়


মৎস্য প্রতিবেদন / আধুনিক কৃষি খামার







Credit: Source link

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে