ঢাকাবৃহস্পতিবার , ২৪ জুন ২০২১
  • অন্যান্য

করোনায় লোকসানে ময়মনসিংহের লক্ষাধিক মৎস্য চাষি

admin
জুন ২৪, ২০২১ ৫:৩৪ পূর্বাহ্ন । ৬৪ জন
Link Copied!
agrilive24.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন আমাদের ফেসবুক পেজটি





করোনায় লোকসানে ময়মনসিংহের লক্ষাধিক মৎস্য চাষি। দেশে করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে অন্য পেশাজীবীদের মতোই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ময়মনসিংহের মৎস্য চাষিরা। অনেকেই ঋণ নিয়ে মাছ চাষ করে পড়েছেন বিপাকে।

জেলার মৎস্য অধিদপ্তর জানায়, জেলায় প্রায় এক লাখ ১২ হাজার মাছ চাষি রয়েছেন, আর হ্যাচারি রয়েছে ৩১৭টি। প্রতি বছর এক লাখ ৮০ হাজার কেজি পোনা এবং প্রায় চার লাখ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদন হয়। জেলার ৫৩ লাখ ১৩ হাজার ১৬৩ জনের চাহিদা রয়েছে এক লাখ ২৬ হাজার মেট্রিক টন। করোনার কারণে উদ্ধৃত্ত মাছ বিক্রি না হওয়ায় এখন চাষিদের লোকসানে পড়েছেন।

মাছ চাষি রুবেল মিয়া বলেন, করোনার আগে শিং মাগুর ১৬ হাজার থেকে ১৮ হাজার টাকা মণে বেচাকেনা হতো। এখন ৬-৭ হাজার টাকায় ক্রেতা পাওয়া যায় না। করোনায় গত দেড় বছরে লোকসান গুনতে গুনতে আমার মতো অনেকেই পুঁজি হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছেন।

ভাই ভাই মৎস্য হ্যাচারির স্বত্ত্বাধিকারী ও বাংলাদেশ ফিস হ্যাচারি অ্যান্ড ফার্ম ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের উপদেষ্টা এমএ বাতেন জানান, করোনার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ব্যবসা বাণিজ্য বন্ধ থাকায় শহরের মানুষ গ্রামে চলে যাওয়ায় নগরীতে মাছের চাহিদা কমে গেছে। এই অবস্থায় অনেকের হ্যাচারি বন্ধের উপক্রম হয়েছে। ইতোমধ্যে কয়েকটি বন্ধ হয়ে গেছে। সরকার প্রণোদনা আকারে হ্যাচারিগুলোকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করে তাহলে হ্যাচারি ও মাছের ব্যবসা আবারো নতুন করে দাঁড় করানো সম্ভব হবে।

জেলার মৎস্য অফিসার দিলীপ কুমার সাহা বলেন,  এখানকার উৎপাদিত মাছ জেলার বাইরে রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্রি হয়। কোনো চাষি যদি বাইরে মাছ সরবরাহের ক্ষেত্রে গণপরিবহন সুবিধা চায়, তবে মৎস্য অধিদপ্তর সেই সহযোগিতা প্রদান করা হবে।


আরও পড়ুনঃ পুকুরে চাষ হবে বিলুপ্তপ্রায় রানি মাছ, কৃত্রিম…


মৎস্য প্রতিবেদন / আধুনিক কৃষি খামার







Credit: Source link