ঢাকাসোমবার , ৪ অক্টোবর ২০২১
  • অন্যান্য

কার্প মাছের পোনা নির্বাচন ও মজুদে করণীয়

admin
অক্টোবর ৪, ২০২১ ১১:০৯ পূর্বাহ্ন । ১৭৯ জন
Link Copied!
agrilive24.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন আমাদের ফেসবুক পেজটি


কার্প মাছের পোনা নির্বাচন ও মজুদে করণীয় কি কি কাজ আছে সেগুলো মৎস্য চাষিদের ভালোভাবে জেনেই মাছ চাষ করা উচিত। অধিক লাভের আশায় অনেকেই এখন পুকুরে কার্প মাছের চাষ করে থাকেন। আবার মাছ চাষ করতে গিয়ে অনেকেই লোকসানে পড়েন। আজকে চলুন জানবো কার্প মাছের পোনা নির্বাচন ও মজুদে করণীয় সম্পর্কে-

কার্প মাছের পোনা নির্বাচন ও মজুদে করণীয়ঃ


পোনা নির্বাচনঃ


মিশ্র চাষের আসল উদ্দেশ্যই হল পুকুরের সকল স্তরের খাদ্য ব্যবহার করে অধিক উৎপাদন লাভ করা। তবে পুকুরে একাধিক প্রজাতির মাছ মজুদ করলেই লাভবান হ্ওয়া যাবেনা। খাদ্য ও পরিবেশ নিয়ে প্রতিযোগিতা করে না এমন দু বা ততোধিক প্রজাতির পোনা নির্বাচন করা প্রয়োজন।

যে কোন প্রজাতির মাছ দু বা ততোধিক এক সঙ্গে চাষ করলেই তাকে মিশ্রচাষ বলা যাবেনা। একটি পুকুরে এমন প্রজাতির মাছের চাষ করতে হবে যেগুলি একে অপরের সাথে কিংবা পরিবেশ নিয়ে কোন প্রতিযোগিতা করে না। মিশ্র চাষের উদ্দেশ্যই হল পুকুরের সকল স্তরের খাদ্যকে সমান ভাবে ব্যবহার করে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি করা। সার দিলে পুকুরের বিভিন্ন স্তরে প্রাকৃতিক খাদ্যের জন্ম হয়। খাদ্যগুলো হল উদ্ভিদকণা, প্রাণিকণা এবং পুকুরের তলদেশে বসবাসকারী প্রাণী সমূহ। এই প্রাকৃতিক খাদ্যমালা পুকুরে সর্বত্র ছড়িয়ে থাকে।

পোনা মজুদঃ


মজুদ ঘনত্বঃ


পুকুরে পোনার মজুদ ঘনত্ব নির্ভর করে চাষ পদ্ধতির উপর। খাদ্য ব্যবহার, পুকুরের পানি পরিবর্তনের সুযোগ এবং পানিতে অক্সিজেনের যোগানের জন্য এজিটেটর ব্যবহারের সুযোগ থাকলে অধিক ঘনত্বে পোনা মজুদ করা যেতে পারে। তবে সকল ক্ষেত্রে একই সুযোগ সুবিধা নাও থাকতে পারে। তাই ব্যবস্থাপনার সুযোগ সুবিধার ভিত্তিতে মজুদ, ঘনত্ব ও প্রজাতি নির্বাচন বিভিন্ন রকম হয়।

মজুদ পরবর্তী ব্যবস্থাপনাঃ


সম্পূরক খাদ্য সরবরাহঃ পুকুরে পোনা মজুদের পর থেকেই দৈনিক নিয়মিত খাদ্য সরবরাহ করতে হয়। সরিষার খৈল, চাউলের কুঁড়া, গমের ভূষি, ফিস মিল ইত্যাদি মাছের সম্পূরক খাদ্য। মাছের সম্পূরক খাদ্যে শতকরা ২০ ভাগ আমিষ থাকলে ভাল ফল পাওয়া যায়।

সম্পূরক খাদ্য প্রয়োগঃ


পুকুরে প্রাকৃতিক খাদ্যের প্রাচুর্যতা ভেদে সম্পূরক খাদ্যের মাত্রা নির্ভর করে। তবে সাধারণতঃ মজুদ পুকুরে প্রতিদিন মাছের ওজনের ৩-৫ শতাংশ হারে ব্যবহার করলে ভাল ফল পাওয়া যায়। শীতকালে মাছের জৈবিক পরিপাক প্রক্রিয়া কমে যায়, ফলে তাদের খাদ্য গ্রহনের মাত্রা কমে যায়। তাই শীতকালে মাছ কম খায়। এজন্য শীতকালে মাছের ওজনের শতকরা ১-২ ভাগ হারে খাবার দিলেই চলে।


আরও পড়ুনঃ মা ইলিশের প্রজনন রক্ষায় চাঁদপুরে আজ থেকে…


মৎস্য প্রতিবেদন / আধুনিক কৃষি খামার

Credit: Source link