ঢাকাশনিবার , ২১ অগাস্ট ২০২১
  • অন্যান্য

কুমিল্লায় আউশের বাম্পার ফলনে খুশি চাষিরা

admin
অগাস্ট ২১, ২০২১ ১০:৪৭ পূর্বাহ্ন । ৮০ জন
Link Copied!
agrilive24.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন আমাদের ফেসবুক পেজটি





কুমিল্লায় আউশের বাম্পার ফলনে খুশি হয়েছেন স্থানীয় চাষিরা। জেলার বুড়িচং উপজেলার সেই পয়াতের জলায় ২০ বছর পর এবার আউশ ধানের সোনালি হাসি দেখা গেছে। চলতি বছরের প্রথম দিকে ওই এলাকায় বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের উদ্যোগে খাল খনন করা হয়। এতে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ফসল উৎপাদনের সম্ভাবনা দেখা দেয়।

জানা গেছে, জলাবদ্ধতা সেই এলাকার কৃষি ও কৃষকের জন্য বিষফোঁড়া হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এ কারণে পয়াতের জলার ১২ হাজার একর আবাদি জমিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। যার প্রত্যক্ষ ভুক্তভোগী ৫০০০-এর অধিক কৃষক পরিবার। পয়াতের জলার কৃষকরা রোপা-আমন ধান লাগাতে পারেন না। আবার কিছু কৃষক বোরো ধান আবাদ করলেও আগাম বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে তা ঘরে তুলতে পারেন না। চলতি বছরের শুরুতে মানুষের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে জলার চারপাশের খালের ২৫ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন কাজ করা হচ্ছে। 

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, মাঠে সোনালি ফসল বাতাসে দোল খাচ্ছে। কোথাও কৃষক ধান কাটছেন। মাঠে ধানে মিষ্টি গন্ধ বাতাসে ভাসছে। খালে স্থানীয়রা মাছ ধরছেন। হরিপুর গ্রামের আলমগীর হোসেন বাসসকে বলেন, খাল খননের ফলে মানুষের মুখে হাসি ফুটেছে। জমিতে ফসল হচ্ছে। খালে মাছ ধরতে পারছে। খালের পাড়ে চলাচলের পথ হয়েছে। সেখানে বিএডিসি কাঠ ও ফল গাছ লাগিয়েছে। তা পুষ্টি পূরণের সাথে কৃষককে ছায়া দেবে।

কৃষক মনির হোসেন বলেন, জলাবদ্ধতার কারণে আমরা আগে এক ফসলও ঠিক মতো করতে পারতাম না। খাল খননের কারণে জলাবদ্ধতা দূর হয়েছে। এবার আউশ ফসল করেছি। ভালো ফলন পেয়েছি।

জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মিজানুর রহমান জানান, দীর্ঘদিন এ জেলায় আউশ ধান হতো না। কখনও আমন ধানও নষ্ট হয়ে যেত। শুধু বোরো করতে পারতো। এবার আউশ মৌসুমের বিনার উন্নতজাতের ধান আমরা চাষ করেছি। 


আরও পড়ুনঃ ঠাকুরগাঁওয়ে চাষ হচ্ছে মরুভূমির ত্বীন ফল


কৃষি প্রতিবেদন / আধুনিক কৃষি খামার







Credit: Source link