চাঁদপুরে ইলিশ মাছের ডিমের কেজি ১৪০০ টাকা

0
44
মাছ





চাঁদপুরে ইলিশ মাছের ডিমের কেজি ১৪০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। চাঁদপুরের ইলিশের চাহিদা রয়েছে দেশ ও দেশের বাইরে। মাছের পাশাপাশি ইলিশের ডিমের চাহিদাও কম নয়। সাগর ও নদী থেকে আমদানি কম হওয়ায় দাম চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ইলিশের ডিম। আগের তুলনায় প্রতি ২০০-৩০০ টাকা বেড়ে এখন বিক্রি হচ্ছে ১৩০০-১৪০০ টাকায়।

ব্যবসায়ীরা জানান, যে ইলিশগুলো একটু নরম হয়ে যায় মূলত সেই ইলিশের ডিম সংরক্ষণ ও মাছগুলো লবণ দিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে প্রক্রিয়াজাত করে প্রায় এক বছর সংরক্ষণের পর দেশের বিভিন্ন জায়গায় পাঠানো হয়। এক্ষেত্রে মাছ নরম হলেও ডিম তরতাজা থাকে।

আড়তদাররা জানান, মূলত দুই ধরনের ইলিশ মাছ ঘাটে আসে। ফিশিংবোটের মাছ ও হাতিয়ার মাছ। ফিশিংবোটের যে সব মাছ আমদানি হয় সেগুলোর ডিম সংরক্ষণ করা সম্ভব হয় না। কিন্তু হাতিয়া থেকে যে মাছগুলো ঘাটে আসে সেগুলোর ডিম সংরক্ষণ করা হচ্ছে। ইলিশের ডিম সংরক্ষণের হাতিয়ার ইলিশ মাছ সবচেয়ে ভালো বলে দাবি তাদের।

ইলিশ মাছের ডিম বিক্রেতা আজাদ খান বলেন, ইলিশের এই মৌসুমে গত বছর আমরা প্রতিদিন সর্বনিম্ন ৪শ থেকে সাড়ে ৪শ কেজি ডিম বিক্রি করেছি। এখন সেখানে দৈনিক ৫০ কেজি ডিমও বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে না। অন্য বছর লোকাল চাহিদা পূরণ করে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় রপ্তানি করলেও এবছর চাঁদপুরের চাহিদা পূরণই কঠিন হয়ে গেছে।

চাঁদপুর মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক শবে বরাত সরকার জানান, অন্য বছরের তুলনায় এবছর ইলিশের আমদানি কম, তাই পর্যাপ্ত ডিমও পাওয়া যাচ্ছে না। সামনে আরও এক-দেড় মাস সময় আছে। উৎপাদন বাড়লে ইলিশের ডিমের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে। তাছাড়া এখন যে পরিমাণ ইলিশ ঘাটে আসছে তার সবই ডিমসহ বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। এবছর ইলিশের ডিম দেশের বাইরে রপ্তানি করার বিষয়ে আমার কাছে এখনো কোনো তথ্য নেই।


আরও পড়ুনঃ তেলাপিয়া মাছের রোগের ঝুঁকি কমানোর উপায়


মৎস্য প্রতিবেদন / আধুনিক কৃষি খামার







Credit: Source link

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে