ঢাকাবুধবার , ৩০ জুন ২০২১
  • অন্যান্য

ঝিনাইদহে কোরবানির জন্য প্রস্তুত ৭১ হাজার গরু

admin
জুন ৩০, ২০২১ ৯:২১ পূর্বাহ্ন । ৪৭ জন
Link Copied!
agrilive24.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন আমাদের ফেসবুক পেজটি


ঝিনাইদহে কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে ৭১ হাজার গরু। আর এসব গরুকে শেষ সময়ে পরিচর্যা করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন এখানকার খামারিরা। দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ মূল্য দিয়ে খাদ্য কিনে খাওয়ানোর পর এখন কোরবানির ঈদে গরু বিক্রি করে লাভের আশায় রয়েছেন খামারিরা। সঠিক দামে পালন করা গরু বিক্রি করতে না পারলে লোকসানে পড়তে হবে বলে জানিয়েছেন তারা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রত্যেক বছরের মতোই এ বছরেও কোরবানির জন্য গরু ও ছাগল পালন করে আসছেন ঝিনাইদহের বিভিন্ন এলাকার খামারিরা। প্রত্যেক বছর বাজারে সঠিক দামের পালন করা গরু ও ছাগল বিক্রি করে তারা বেশ লাভ পেতেন। কিন্তু এ বছর দেশের করোনা ভাইরাসের কারণে পশুর হাটগুলো ঠিকভাবে পরিচালিত না হওয়া ও ক্রেতা সংকটের কারণে বেশ চিন্তায় রয়েছেন খামারিরা। তবে অনেকেই অনলাইনের মাধ্যমে বিক্রি করছেন তাদের গরুগুলো।

এদিকে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধির কথা চিন্তা করে অনলাইনের মাধ্যমে কোরবানির পশু ক্রয় ও বিক্রয়ের উদ্যোগ নিয়েছে উপজেলার প্রাণীসম্পদ বিভাগ। এতে একদিকে খামারিরা তাদের পালন করা গরু-ছাগল যেমন সহজেই বিক্রি করতে পারছেন তেমনি ক্রেতাদেরও হাটে গিয়ে পশু কিনতে হচ্ছে না।

জেলা প্রাণীসম্পদ অফিস সুত্রে জানা যায়, জেলায় ছোট-বড় ও ব্যক্তি পর্যায়ে ক্ষুদ্র খামার রয়েছে ১৭ হাজার ৪৫০টি। এসব খামারে আসন্ন কোরবানির ঈদের জন্য প্রস্তুতকৃত গরু রয়েছে ৭১ হাজার ৪১৫টি। এছাড়া ছাগল ও ভেড়া রয়েছে ৫৪ হাজার ৪৪৪টি।

কালীগঞ্জ উপজেলার রায়গ্রাম ইউনিয়নের মেগুরখিদ্দা গ্রামের সুমন হোসেন বলেন, ‌’এ বছর আমার সাতটি গরু রয়েছে। এরমধ্যে আসছে কোরবানিতে একটি গরু বিক্রি করব। ইতোমধ্যে গরুটি সাড়ে ৫ লাখ টাকা দাম উঠেছে। সাড়ে ৬ লাখ হলে ছেড়ে দেব।

ঝিনাইদহ জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডাক্তার আনন্দ কুমার অধিকারী বলেন, দেশের করোনা ভাইরাসের সময়ে অনলাইনের মাধ্যমে কোরবানির পশু বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে খামারিদের পশুর ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তির পাশাপশি করোনার ঝুঁকিও কমবে। আশা করছি এ বছর অনলাইনের মাধ্যমে অনেকই কোরবানির জন্য পশু কিনবেন।

খামারে এবার প্রচুর পরিমানে দেশীয়জাতের গরু পালন করা হয়েছে। জেলার বিভিন্ন হাট থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে পশু চলে যাবে। আর অন্য জেলা থেকে এজেলাতে প্রাণী ঢুকবে। তাইতো এবার কোরবানীর জন্য প্রাণীর অভাব হবেনা। তাছাড়া ঝিনাইদহবাসী দেশীয় পশু দিয়েই তাদের কোরবানির কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন বলে জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেন।

Credit: Source link