ঢাকাবৃহস্পতিবার , ২৯ এপ্রিল ২০২১
  • অন্যান্য

দিনাজপুরে খেতেই পচে যাচ্ছে টমেটো, হতাশ চাষিরা

admin
এপ্রিল ২৯, ২০২১ ৪:৪৯ পূর্বাহ্ন । ১৩১ জন
Link Copied!
agrilive24.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন আমাদের ফেসবুক পেজটি




ফাইল ছবি


চলতি মৌসুমে দিনাজপুরে টমেটোর বাম্পার ফলন হলেও উৎপাদিত টমেটো নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন চাষিরা। লকডাউনের কারণে পরিবহনের ভাড়া বেশি ও পাইকারদের সংখ্যা কমে যাওয়ায় ব্যাপক লোকসান গুনছেন।  ফলে টমেটো চাষে উৎসাহ হারাচ্ছেন বলেও জানান এই অঞ্চলের চাষিরা।

কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে জেলায় ১৯০০ হেক্টর জমিতে টমেটোর চাষ হয়েছে। টমেটোর ফলন হয়েছে ৫০ দশমিক ৩২ মেট্রিক টন। তবে চলমান করোনা সৃষ্ট লকডাউনের কারণে টমেটো তুলে বিক্রি করার পর মজুরের খরচ না পাওয়ায় খেতেই টমেটো পচে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন কৃষি বিভাগ।

দিনাজপুর শহরের অদূরে সদর উপজেলার ৪নং শেখপুরা ইউনিয়নে অবস্থিত জেলার বৃহত্তর টমেটোর হাট। গাবুড়া হাটে এক সপ্তাহ আগে যে টমেটো বিক্রি হয়েছে ৪৫০-৬০০ টাকা মণ দরে, সেই টমেটো বিক্রি হচ্ছে মণ ২০০-৩০০ টাকায় বলে জানিয়েছেন একাধিক ব্যবসায়ী।

কৃষক জমির শেখ জানান, এ মৌসুমে ২৫ শতক জমিকে টমেটো চাষ করেন। জমিতে টমেটোর ফলন ও ভালো হয়। লকডাউনের আগে বেশ কিছু দিন স্থানীয় বাজারে তিনি ভালো দামে টমেটো বিক্রি করেছেন। প্রথম দিকে যেভাবে তিনি টমেটো বিক্রি করেছেন এভাবে বিক্রি করতে পারলে খরচ বাদে ১০-১২ হাজার টাকা আয় হতো কিন্তু বর্তমানে লোকসান গুনতে হচ্ছে।

দিনাজপুর সদর উপজেলার শেখপুরা গ্রামের কৃষক মোহাম্মদ হোসেন আলী জানান, এ বছর আমি লাভের আশায় এক বিঘা জমিতে টমেটোর আবাদ করেছিলাম। এক বিঘা জমিতে টমেটো আবাদে খরচ হয়েছে ৫০ থেকে ৫৫ হাজার টাকা। কিন্তু টমেটোর দাম না পাওয়ায় আমার খরচ উঠবে না, বরং লোকসান গুনতে হবে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার এসএম আবু বকর সাইফুল ইসলাম জানান, করোনার কারণে কৃষি শ্রমিক সংকট ছাড়াও পরিবহণ ও চাহিদা সংকট চলছে। ফলে কৃষক ফসলের দাম না পাচ্ছেন না। লকডাউনের পর এ অবস্থা আর থাকবেনা বলেও তিনি জানান।







Credit: Source link