ঢাকাবুধবার , ১৬ জুন ২০২১
  • অন্যান্য

দেশি মুরগি পালনে সঠিক যত্নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপনা

admin
জুন ১৬, ২০২১ ৪:৪৩ পূর্বাহ্ন । ৩৪ জন
Link Copied!
agrilive24.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন আমাদের ফেসবুক পেজটি


দেশি মুরগি পালনে সঠিক যত্নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপনা আমাদের দেশের বেশিরভাগ খামারিরা জানেন না। লাভজনক হওয়ার কারণে দিন দিন মুরগি পালনকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে অনেকেই দেশি মুরগির খামার গড়ে তুলেছেন। তবে দেশি মুরগি পালনে বেশ কিছু বিষয় গুরুত্ব দিতে হয়। চলুন আজকে জানবো দেশি মুরগি পালনে সঠিক যত্নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে-

দেশি মুরগি পালনে সঠিক যত্নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপনাঃ


উমে বসানো মুরগির পরিচর্যাঃ


১। ডিম বসানোর ৭-৮ দিন পর আলোতে রাতের বেলা ডিম পরীক্ষা করলে বাচ্চা হয় নাই এমন ডিম ̧লো চেনা যাবে এবং বের করে অনতে হবে। বাচ্চা হওয়া ডিমগুলো সুন্দর করে সাজিয়ে দিতে হবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে যেন মুরগি বিরক্ত না হয়।

২। প্রতিটি ডিমের গায়ে সমভাভে তাপ লাগার জন ̈ দিনে কমপেক্ষ ৫-৬ বার ওলট পালট করে দিতে হবে।

৩। বাতাসের আর্দ্রতা কম হলে বিশেষ করে খুব গরম ও শীতের সময় ডিম উমে বসানোর ১৮- ২০দিন পর্যন্ত কুসুম গরম পানিতে হাতের আঙ্গুল ভিজিয়ে পানি স্প্রে করে দিতে হবে।

৪। ফোটার পর ৫-৬ ঘন্টা পর্যন্ত মাকে দিয়ে বাচ্চাকে উম দিতে হবে। তাতে বাচ্চা শুকিয়ে ঝরঝরে হবে। বাচ্চা ফুটার পর বাচ্চার পরিচর্যা ও ডিম পাড়া মুরগির

মুরগি ও বাচ্চার পরিচর্যাঃ


গরম কালে বাচ্চার বয়স ৩-৪ দিন এবং শীত কালে ১০-১২ দিন পর্যন্ত বাচ্চার সাথে মাকে থাকতে দিতে হবে। তখন মুরগি নিজেই বাচ্চাকে উম দিবে। এতে কৃত্রিম উমের (ব্রুডিং ) প্রয়োজন হবে না। এ সময় মা মুরগিকে খাবার দিতে হবে। মা মুরগির খাবারের সাথে বাচ্চার খাবার ও কিছূ আলাদা করে দিতে হবে। বাচ্চা গুলো মায়ের সাথে খাবার খাওয়া শিখবে।

উপরোক্ত বর্নিত সময়ের পর মুরগিকে বাচ্চা থেকে আলাদা করতে হবে। এ অবস্থায় বাচ্চাকে কৃত্রিম ভাবে ব্রুডিং ও খাবার দিতে হবে। তখন থেকেই বাচ্চা পালনের মত বাচ্চা পালন পদ্ধতির সব কিছুই পালন করতে হবে। মা মুরগিকে আলাদা করে লেয়ার খাদ্য দিতে হবে। এ সময় মা মুরগিকে তাড়াতাড়ি সুস্থ হওয়ার জন্য পানিতে দ্রবনীয় ভিটামিন দিতে হবে।

মা মুরগি ও বাচ্চা এমনভাবে আলাদা করতে হবে যেন তারা দৃষ্টির বাহিরে থাকে। এমন কি বাচ্চার চিচি শব্দ যেন মা মুরগি শুনতে না পায়। তা না হলে মা ও বাচ্চার ডাকা ডাকিতে কেউ কোন খাবার বা পানি কিছুই খাবে না। আলাদা করার পর অবস্থার সাথে খাপ খাইয়ে গেলে আর কোন সমস্য থাকে না।


আরও পড়ুনঃ মুরগি পালনে মহামারি প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপনা


পোলট্রি প্রতিবেদন / আধুনিক কৃষি খামার

Credit: Source link