ঢাকাসোমবার , ২৬ এপ্রিল ২০২১
  • অন্যান্য

নোয়াখালীতে বন্ধ ১৩০০ পোলট্রি খামার, লোকসানে খামারিরা

admin
এপ্রিল ২৬, ২০২১ ৮:৪৩ পূর্বাহ্ন । ১৫৬ জন
Link Copied!
agrilive24.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন আমাদের ফেসবুক পেজটি





রোগের প্রাদুর্ভাব ও করোনার সময়ে নোয়াখালীতে বন্ধ হয়েছেন ১৩০০ পোলট্রি খামার। আর লোকসানের পাশাপাশি খামার বন্ধ হওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন স্থানীয় খামারিরা। অনেকেই ঋণ নিয়ে খামারে মুরগি তুললেও পরিশোধ করতে পারছেন সেই ঋণ। গত কয়েক মাসে বন্ধ হয়েছে অন্তত ১৩০০ মুরগির খামার। আর এতে প্রতি মাসে প্রায় ২০ কোটি টাকার মুরগি ও ডিম উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে।

জানা যায়, ২০১৯ সাল থেকে তার খামারে রোগের প্রাদুর্ভাভ শুরু হয়। রাণীক্ষেত, গামবোরা, ককসিডিওসিস, পুলোরাম, ঠান্ডাজনিত ও বার্ডফ্লুসহ বিভিন্ন রোগে মরতে থাকে খামারের মুরগি। ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীদের বেশির ভাগই ব্যাংক ঋণে জর্জিরত। খামারগুলো বন্ধ হওয়ায় মালিকরা যেমন আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন তেমনি কর্মচারিদের কাজ না থাকায় জেলায় বেকারত্বের হারও বাড়ছে।

পোলট্রি খামারি আল মামুন বলেন, ২০১৯ সালের জুনে রাণীক্ষেত রোগে তার ৯টি খামারের ১ কোটি ১৭ লাখ টাকার মূল্যের ১৮ হাজার ব্রয়লার মুরগি মারা যায়। দ্বিতীয় ধাপে ২০২০ সালে জানুয়ারিতে বার্ডফ্লু রোগে মারা যায় ৩৭ হাজার মুরগি। যার বাজার মূল্য ছিল ২ কোটি ৪ লাখ টাকা। নিরুপায় হয়ে ঐ বছরের ডিসেম্বরে খামারগুলো বন্ধ করে দেই।

খামারি আরিফুল ইসলাম জানান, দেশের পরিস্থিতি, বাজারে ওষুধ ও খাদ্য মূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে আমার তিনটি খামার দীর্ঘদিন থেকে বন্ধ হয়ে আছে। বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়ায় বর্তমানে নতুন করে শুরু করার সাহসও পাচ্ছি না।

জেলার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শহিদুল ইসলাম বলেন, দেশে করোনা ভাইরাস ও তার আগে বিভিন্ন রোগে মুরগি মারা যাওয়া কিছু খামারিরা তাদের খামারগুলো বন্ধ করে দিয়েছে। এর মধ্যে কেউ কেউ আবার নতুন করে চালুও করছেন। ক্ষতিগ্রস্ত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ও তালিকার বাইরে ক্ষতিগ্রস্ত যেসব খামারি রয়েছেন উপজেলা পর্যায়ে তাদের তালিকা তৈরি করে প্রণোদনার ব্যবস্থা করা হবে।


আরও পড়ুনঃ প্রচন্ড গরমে মুরগির খামার ঠাণ্ডা রাখার উপায়


পোলট্রি প্রতিবেদন / আধুনিক কৃষি খামার







Credit: Source link