ঢাকাবৃহস্পতিবার , ১৯ অগাস্ট ২০২১
  • অন্যান্য

পাঙ্গাস মাছের খাদ্য ব্যবস্থাপনায় যা বিবেচনায় আনতে হবে

admin
অগাস্ট ১৯, ২০২১ ৫:১১ পূর্বাহ্ন । ৮০ জন
Link Copied!
agrilive24.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন আমাদের ফেসবুক পেজটি





পাঙ্গাস মাছের খাদ্য ব্যবস্থাপনায় যা বিবেচনায় আনতে হবে সেগুলো মৎস্য চাষিদের সঠিকভাবে জেনে রাখতে হবে। মাছ চাষে লাভবান হওয়ার জন্য মাছের খাদ্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। মাছকে  সঠিক মাত্রায় সময়মতো খাদ্য দিলে মাছের শারীরিক বৃদ্ধি ঠিক থাকে। চলুন আজ জানবো পাঙ্গাস মাছের খাদ্য ব্যবস্থাপনায় যা বিবেচনায় আনতে হবে সেই সম্পর্কে-

পাঙ্গাস মাছের খাদ্য ব্যবস্থাপনায় যা বিবেচনায় আনতে হবেঃ


১। প্রতিদিন একই সময়ে একই জয়াগায় খাদ্য প্রয়োগে খাদ্যের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত হয়।

২। মাঝে মাঝে খাদ্য প্রয়োগস্থল পর্যবেক্ষণ করতে হবে। প্রয়োগের যথেষ্ট সময় পরে খাবার থেকে গেলে বুঝতে হবে খাদ্যের পরিমাণ বেশি হচ্ছে। সেক্ষেত্রে খাদ্যের পরিমাণ কমিয়ে দিতে হবে। অবশিষ্ট না থাকলে আস্তে আস্তে প্রয়োগমাত্রা বাড়াতে হবে।

৩। বাণিজ্যিকভিত্তিতে মাছ চাষের জন্য শুকনা পিলেট জাতীয় খাদ্যই সবচেয়ে উপযোগী। এটি পানিতে অধিকতর স্থিতিশীল, অপচয় কম হয়, প্রয়োগ করা সহজ এবং কম তাপমাত্রায় সংরক্ষণের প্রয়োজন হয় না ।

৪। পুষ্টিমান বজায় রাখার স্বার্থে মাছের খাদ্যে স্বল্প পরিমাণে হলেও ফিশ মিল বা অন্যান্য প্রাণিজ আমিষ এবং ভিটামিন ও মিনারেল প্রিমিক্স ব্যবহার করতে হবে।

৫। পুকুরের পানির তাপমাত্রা এবং প্রাকৃতিক খাদ্যের পরিমাণের ওপর নির্ভর করে খাদ্য প্রয়োগের হারও বাড়ানো বা কমানো যেতে পারে। শীতের সময় খাদ্য প্রয়োগের হার স্বাভাবিকের চেয়ে অর্ধেক বা তিন ভাগের এক ভাগ কমিয়ে আনতে হবে। প্রচন্ড শীতের সময় তাপমাত্রা বেশি কমে যায় বলে খাদ্য প্রয়োগ বন্ধ রাখতে হবে।

৬। গরমের সময় পুকুরে পানি কমে তাপমাত্রা বেড়ে গেলে এবং পুকুরে শ্যাওলার স্তর পড়লে খাদ্য প্রয়োগ কমিয়ে দিতে হবে প্রয়োজনে খাদ্য প্রয়োগ বন্ধ রাখতে হবে।


আরও পড়ুনঃ শিং ও মাগুর মাছের কৃত্রিম প্রজননে করণীয়


লেখাঃ মাহমুদ


মৎস্য প্রতিবেদন / আধুনিক কৃষি খামার







Credit: Source link