ঢাকামঙ্গলবার , ৬ জুলাই ২০২১
  • অন্যান্য

পাবনায় পানির দরে বিক্রি হচ্ছে দুধ, লোকসানে বিপর্যস্ত খামারিরা

admin
জুলাই ৬, ২০২১ ৪:৩৩ পূর্বাহ্ন । ৫১ জন
Link Copied!
agrilive24.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন আমাদের ফেসবুক পেজটি





করোনাভাইরাসের প্রভাবে দেশে চলছে কঠোর লকডাউন। এমতাবস্থায় করোনার প্রভাবে ধসে পড়েছে দেশের ডেইরি খাত। পাবনা জেলার সর্বত্রই পানির দরে বিক্রি হচ্ছে দুধ। এতে করে লোকসানে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জেলার প্রান্তিক খামারিরা।

বোতলজাত এক লিটার পরিশোধিত পানি কিনতে যেখানে খরচ হয় ১৫ থেকে ২০ টাকা  সেখানে লিটার দুধ কিনতে এখন ২৫ থেকে ৩০ টাকার বেশি খরচা হচ্ছে না। জেলার ঈশ্বরদীর রাজাপুর, মুলাডুলি, দাশুড়িয়া, আড়ামবাড়িয়া, নতুনহাট ও আওতাপাড়াসহ সর্বত্রই এখন পানির দরে বিক্রি হচ্ছে এই দুধ। তারপরও ক্রেতার অভাবে অবিক্রীত থেকে যাচ্ছে দুধ। দুধ বিক্রি না হওয়ায় সেই ঋণ এখন দুগ্ধ খামারিদের মাথার বোঝা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। আবার দুধ বিক্রিতে লোকসানের মুখে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন দুগ্ধ খামারিরা।।

ঈশ্বরদী উপজেলার আমিরুল জানান, তাদের ফার্মে প্রতিদিন ৪৫০-৫০০ লিটার দুধ উৎপাদন হয়ে থাকে। বর্তমানে বাজার মন্দা থাকায় দৈনিক সবেমাত্র ২ ক্যান দুধ বিক্রি হচ্ছে। বাকি দুধ অবিক্রীত থেকে যাচ্ছে। ঢাকায় দুধের যে চাহিদা ছিল তা এখন নেই। এ অবস্থায় প্রতিদিন গড়ে অনেক টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে।

মাজদিয়া এলাকার নাহিদ ঘোষ জানান, প্রতিদিন বাড়ি বাড়ি ঘুরে ২০০ লিটার দুধ সংগ্রহ করে লালপুরে ঘি ও ছানা তৈরর কারখানায় সরবরাহ করেন। কঠোর লকডাউনে ওই কারখানা এখন দুধ নিচ্ছে না। 

উপজেলার ডেইরি খামারি মিল্লাত জানান,  করোনার কারণে ৫০ টাকা দরে বিক্রি হওয়া দুধ লিটারপ্রতি এখন ২৫ থেকে ৩০ টাকা দরে বিক্রি করতে হচ্ছে। ক্রেতার অভাবে লোকসানে দুধ বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে তাকে দৈনিক লোকসান গুনতে হচ্ছে ৫ হাজার টাকা।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ড. রফিকুল ইসলাম জানান, ছোট-বড় মিলিয়ে ঈশ্বরদীতে প্রায় শতাধিক খামার রয়েছে। কঠোর লকডাউনে খামারিরা দুধ বিক্রি করতে না পারায় চরম বেকায়দায় পড়েছেন।







Credit: Source link