ঢাকাবুধবার , ২৩ জুন ২০২১
  • অন্যান্য

পুকুরে চাষ হবে বিলুপ্তপ্রায় রানি মাছ, কৃত্রিম প্রজনন ও পোনা উৎপাদনে সাফল্য

admin
জুন ২৩, ২০২১ ৫:৪৭ পূর্বাহ্ন । ৫৭ জন
Link Copied!
agrilive24.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন আমাদের ফেসবুক পেজটি





একটা সময় দেশের নদী নালা খাল বিলে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যেত রানি মাছ। কিন্তু সময়ের বিবর্তনে এক প্রকার হারিয়ে যেতে বসেছে দেশীয় জাতের এই মাছটি। বিলুপ্তপ্রায় এই মাছ যাতে হারিয়ে না যায় সেলক্ষ্যে গবেষণা শুর করে দেশের মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউ। এরই ধারাবাহিকতায় অবশেষে রানি মাছের কৃত্রিম প্রজনন ও পোনা উৎপাদনে সাফল্য পেয়েছে বিএফআরআই এর বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সেলিনা ইয়াছমিনের নেতৃত্বে একদল গবেষক।

মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট সূত্র জানায়,  চলতি বছরে ইনস্টিটিউট থেকে ১০টি বিপন্ন প্রজাতির মাছের প্রজনন কৌশল উদ্ভাবনের গবেষণা চলমান রয়েছে। ইনস্টিটিউটের ময়মনসিংহের স্বাদুপানি কেন্দ্রে ২০২০ সালে রানি মাছের সংরক্ষণ, প্রজনন এবং পোনা উৎপাদন বিষয়ে গবেষণা কর্মসূচি নেয়া হয়। প্রজননের জন্য এই মাছটি যমুনা, ব্রহ্মপুত্র ও কংস নদ এবং নেত্রকোনোর হাওর থেকে সংগ্রহ করা হয় এবং গবেষণাকেন্দ্রের পুকুরে প্রতিপালন করা হয়।

বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সেলিনা ইয়াছমিন বলেন, পুকুর থেকে পরিপক্ব মাছ নির্বাচন করে কৃত্রিম প্রজননের পাঁচ-ছয় ঘণ্টা আগে স্ত্রী ও পুরুষ মাছকে হ্যাচারিতে হরমোন ইনজেকশন দেয়া হয়। ইনজেকশন দেয়ার ১০-১২ ঘণ্টা পর স্ত্রী মাছ ডিম দেয়। ডিম দেয়ার ২২-২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিষিক্ত ডিম থেকে রেণু বের হয়ে আসে।

তিনি আরও বলেন, ডিম নিষিক্ত ও ফোটার হার যথাক্রমে ৭৫ ও ৫০ শতাংশ। রেণুর ডিম্বথলি দুই-তিন দিনের মধ্যে নিঃশেষিত হওয়ার পর প্রতিদিন তিন-চারবার সেদ্ধ ডিমের কুসুম খাবার হিসেবে হাঁপায় সরবরাহ করা হয়। হাঁপাতে রেণু পোনা ছয়-সাত দিন রাখার পর নার্সারি পুকুরে স্থানান্তরের উপযোগী হয়।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ জানান, স্বাদুপানির বিলুপ্তপ্রায় ছোট মাছের মধ্যে রানিমাছ অন্যতম। এ মাছটি খেতে খুবই সুস্বাদু এবং পুষ্টিগুণ সম্পন্ন হওয়ায় বাজারে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।







Credit: Source link