ঢাকাশনিবার , ১ মে ২০২১
  • অন্যান্য

প্রচণ্ড খরা ও পোনা সংকটে দিশেহারা বাগেরহাটের চিংড়ি চাষিরা

admin
মে ১, ২০২১ ৭:১৩ পূর্বাহ্ন । ১১১ জন
Link Copied!
agrilive24.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন আমাদের ফেসবুক পেজটি





একদিকে দেশে চলছে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে লকডাউন। অন্যদিকে প্রচণ্ড তাপদহ ও খরায় শুকিয়ে গেছে বাগেরহাট জেলার চিংড়ি চাষের ঘের। পাশাপাশি জেলায় সংকট দেখা দিয়েছে পর্যাপ্ত পোনার। এতে করে দিশেহারা হয়ে পড়ছেন চাষিরা। প্রচণ্ড খরা ও চাহিদার তুলনায় পোনার যোগান না থাকায় চলতি বছর চিংড়ি চাষের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ব্যহত হবে বলে শংকা প্রকাশ করছেন তারা।

মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, জেলায় ৬৬ হাজার ৭১৩ হেক্টর জমিতে ৭৮ হাজার ৬৮৫টি বাগদা ও গলদা চিংড়ির ঘের রয়েছে। এসব ঘেরে ২০১৯-২০ অর্থবছরে ১৭ হাজার ৪২৭ মেট্রিক টন বাগদা ও ১৮ হাজার ৮৪২ মেট্রিক টন গলদা উৎপাদন হয়েছে। তবে বেসরকারি হিসেবে এর পরিমাণ আরও বেশি। এই উৎপাদনের ধারা বজায় রাখতে ২ কোটি গলদা চিংড়ির রেনুর চাহিদা রয়েছে। কিন্তু বর্তমান এই পরিস্থিতিতে সময় মত ৫০ শতাংশ গলদা পোনাও ছাড়তে পারবেন না বলে জানিয়েছেন স্থানীয় চাষিরা।

বাগেরহাট সদর, মোংলা, রামপাল, কচুয়াসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলার চিংড়ি চাষিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ঘের প্রস্তুত করেও পানির অভাবে পোনা ছাড়তে পারছেন না। ঘেরের মাটি ফেটে চৌচির হয়ে গেছে। ইচ্ছে থাকলেও পোনা ছাড়তে পারছেন না। এতে করে এ এ বছর অনেক টাকা লোকসান গুনতে হবেও তারা জানান।

পোনা ক্রয় করতে আসা কচুয়া উপজেলার চিংড়ি চাষি সাইদ হোসেন বলেন, যে পোনা গেল বছর এক হাজার থেকে ১৫শ টাকায় বিক্রি হয়েছে সেই পোনাই এবার ২ হাজার ৭শ টাকা চাচ্ছেন। কি করব পোনা কিনব নাকি বাড়িতে ফিরে যাব বলতে পারি না। এত দাম দিয়ে পোনা কিনে কম পানিতে বাঁচাতে পারবেন কিনা এই নিয়েও শঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

বাগেরহাট জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এস এম রাসেল বলেন, পোনা ও খরার সংকটের কথা আমরা শুনেছি। চেষ্টা করছি কারিগরি পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতার মাধ্যমে কিছু হ্যাচারিকে আবারও সচল করতে।


সূত্রঃ বাংলা নিউজ







Credit: Source link