ঢাকামঙ্গলবার , ১৫ জুন ২০২১
  • অন্যান্য

ব্রয়লার মুরগির বাচ্চার বৃদ্ধিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপনা

admin
জুন ১৫, ২০২১ ৪:২৩ পূর্বাহ্ন । ৯৬ জন
Link Copied!
agrilive24.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন আমাদের ফেসবুক পেজটি


ব্রয়লার মুরগির বাচ্চার বৃদ্ধিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপনা যেগুলো রয়েছে সেগুলো খামারিদের ভালোভাবে জেনে রাখা দরকার। লাভজনক হওয়ায় আমাদের দেশের অনেক খামারিরাই এখন ব্রয়লার মুরগি পালনে ঝুঁকছেন। ব্রয়লার মুরগি পালনের ক্ষেত্রে বাচ্চা বৃদ্ধি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। চলুন আজ জানবো ব্রয়লার মুরগির বাচ্চার বৃদ্ধিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে-

ব্রয়লার মুরগির বাচ্চার বৃদ্ধিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপনাঃ


ব্রয়লার মুরগির বাচ্চার বৃদ্ধির জন্য জায়গা বা ঘরটা এমন হওয়া দরকার যেন সেখানে ৮ সপ্তাহ পর্যন্ত বাচ্চা তার দরকারি জিনিস পর্যাপ্ত পরিমাণে পায়। এখানে বাচ্চার প্রাথমিক দরকার তাপ। ইংরেজীতে জায়গাটা বা ঘরটাকে বলা হয় ব্রডিং ইউনিট। ৮ সপ্তাহ পরে বাচ্চাকে নিয়ে যাওয়া হয় বাচ্চা পালন ঘরে। এখানে বাচ্চা থাকবে ৮ সপ্তাহ থেকে ২০ সপ্তাহ পর্যন্ত। এখন বাচ্চারা বেশ বড় হয়ে গেছে।

ব্রয়লার মুরগি ৮ সপ্তাহ পরে যায় বিক্রির জায়গায়। আর বাচ্চা মুরগি বাচ্চা পালন ঘরে। ২০ সপ্তাহ পরে বাচ্চা মুরগি যায় পাকাপাকিভাবে ডিমপাড়া ঘরে। ২০ সপ্তাহ পরে মুরগি পালন করার জন্য খাচাও অনেকে ব্যবহার করেন। এখানে ডিম দেওয়া মুরগি ৭৮-৮০ সপ্তাহ থাকে। এরপরেই মুরগি বাজারে মাংস হয়ে বিক্রি হতে চলে যায়।

একদিনের মুরগির বাচ্চাকে ২ ভাবে বড় করা যায়।

যেমন- (১) স্বাভাবিক ভাবে (২) কৃত্রিম ভাবে।

বাচ্চা পালনে বিস্তৃত পরিসরে যাবার আগে এটা জানা দরকার যে কৃত্রিমভাবে ডিম ফুটিয়ে যেসব বাচ্চা তৈরি করা হয়েছে তাদের কৃত্রিমভাবে বড় করা উচিত।

মুরগির বাচ্চা স্বাভাবিকভাবে বা প্রাকৃতিক পরিবেশে বড় করাঃ ৩০/৪০ বছর আগে আমাদের দেশের প্রায় সব জায়গায় প্রকৃতির পরিবেশে মুরগির বাচ্চা বড় করা হত। মানুষের ক্রমাগত খাবারের চাহিদা এবং দিন গুজরানের ব্যবসায়িক হাতিয়ার হিসেবে দিনে দিনে প্রায় সব ছোট বড় খামারে কৃত্রিমভাবে ডিম ফোটানো এবং কৃত্রিমভাবে পোটানো ডিম থেকে বেড় হওয়া বাচ্চা বড় করা হচ্ছে।

স্বাভাবিকভাবে ডিম ফোটাবার কারণও ছিল অনেক। আগে খাবার ডিম হিসেবে মুরগি মোরগ পালন করা হত।

মুরগির খাবার এমনভাবে দিতে হবে যাতে বাচ্চা মুরগি সেখানে মুখ দিতে না পারে। বাচ্চা এবং ধাত্রী মায়ের জন্য প্রচুর পরিষ্কার ঠান্ডা পানির ব্যবস্থা করতে হবে।

অন্যান্য পরিচর্যাঃ


খাঁচা বা বাচ্চাদের আশ্রয় স্থান রীতিমত পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন এবং কীটনাশক ওষুধ দিয়ে উকুন, মাইট এবং টিক প্রভূতি রক্তচোষা পরজীবী কীটদের ধ্বংস করতে হবে। বাচ্চা যেখানে চরে বেড়াবে সে জায়গাটা জাল দিয়ে ঘেরা থাকবে। চরে বেড়াবার জায়গাটা যেন ইদুর বেড়ালে নষ্ট করে না দেয়।

প্রথম সপ্তাহে রোগের জন্য টিকা দিতে হবে ও প্রথম সপ্তাহেই ঠোট ছেটে দিতে হবে। বাচ্চাদের বয়স ৬ থেকে ৮ সপ্তাহ হলে মুরগি বসন্ত এবং রানীক্ষেত রোগের বিরুদ্ধে টিকা প্রদান করতে হবে।


আরও পড়ুনঃ কবুতরকে প্রয়োজনীয় যেসব খাদ্য প্রদান করতে হবে


পোলট্রি প্রতিবেদন / আধুনিক কৃষি খামার

Credit: Source link