ঢাকাবুধবার , ১৮ অগাস্ট ২০২১
  • অন্যান্য

মৌলভীবাজারে পুঁজি হারিয়ে ব্যবসা গুটিয়ে নিচ্ছেন পোল্ট্রি খামারিরা

admin
অগাস্ট ১৮, ২০২১ ১০:৪০ পূর্বাহ্ন । ৯৯ জন
Link Copied!
agrilive24.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন আমাদের ফেসবুক পেজটি





পুঁজি হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন মৌলভীবাজার জেলার বিভিন্ন উপজেলার ছোট বড় পোল্ট্রি খামারিরা। একদিকে পোল্ট্রি খাদ্যসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক দ্রব্যাদির দাম, অপরদিকে বাজারে নেই মুরগি ও ডিমের দাম। এমতাবস্থায় লোকসান গুনতে গুনতে পুঁজি হারিয়ে ব্যবসা গুটিয়ে নিচ্ছেন জেলার প্রান্তিক খামারিরা।

জানা যায়, জেলার ব্রয়লার মুরগি ও ডিম উৎপাদনকারী খামারি রয়েছে ১ হাজার ২১২ জন। দীর্ঘদিন ধরেই পোল্ট্রি পণ্যের তেমন দাম পাচ্ছেন না খামারিরা। যারফলে প্রতিনিয়ত লোকসান গুনতে হচ্ছে। অনেকেই লোকসানে সর্বস্বান্ত হয়ে বাধ্য হয়েই ব্যবসা ছাড়ছেন। এমন উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পোল্ট্রি খামারকে টিকিয়ে রাখতে নানা ধরনের উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার বলে জানিয়েছেন জেলা পশুসম্পদ বিভাগ।

কমলগঞ্জ উপজেলার পোল্ট্রি খামারী আব্দুর রউফ জানান, ব্রয়লার জাতের চার হাজার মোরগের চারটি সেড ছিল। খাদ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় মুরগির উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে। কিন্তু সেভাবে মুরগির দাম বাড়েনি। যার ফলে দাম না পাওয়ায় প্রায় চার লাখ টাকা লোকসান হয়েছে।

রাজনগর উপজেলার খামারি সাহেদ আহমদ জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে পোল্ট্রি খামার করে লাভবান হওয়া অনেক কঠিন। এর আগে প্রতি হালি ডিমের দাম ৩০-৪০ টাকা ছিল। কিন্তু করোনার কারণে ডিমের দাম হালিতে ১২ টাকা কমেছে। গত মার্চেও প্রতি হালি ডিম বিক্রি হয় ৩৬ টাকায়। অথচ এখন বিক্রি হচ্ছে ২৪ টাকায়। সোনালী মুরগীর দামও কেজি প্রতি ২১০ টাকা থেকে কমে হয়েছে ১৬০-১৭০ টাকা। ফলে লোকসান গুনতে হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আব্দুস ছামাদ বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে মুরগি ও ডিমের ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন খামারিরা। তাই খামারিদের জন্য বিশেষ প্রণোদনা অব্যাহত রাখা হয়েছে। এছাড়া, উপজেলা খামারিদের তালিকা করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।







Credit: Source link