ঢাকামঙ্গলবার , ২০ এপ্রিল ২০২১
  • অন্যান্য

রংপুরে লকডাউনে বাগানেই নষ্ট হচ্ছে ফুল, চরম বিপাকে চাষিরা

admin
এপ্রিল ২০, ২০২১ ৭:৩৮ পূর্বাহ্ন । ১৫৮ জন
Link Copied!
agrilive24.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন আমাদের ফেসবুক পেজটি





ফজলুর রহমান, রংপুরঃ লকডাউনের কারণে মানুষ ঘরবন্দি থাকাসহ দোকানপাট বন্ধ থাকায় আমার চাষকৃত ফুল বিক্রি করতে পারছিনা। যদি সঠিক সময়ে ফুল বিক্রয় করতে না পারি তাহলে আর্থিভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হব । কথাগুলো বলছিলেন রংপুর নগরীর পান্ডারদিঘি এলাকার ফুলচাষি আব্দুল কাদের। তিনি ৫ বিঘা জমিতে বিভিন্ন প্রজাতির ফুল চাষ করেছেন। তিনি আরো জানান, লকডাউনের কারণে দূর-দূরান্ত থেকে ফুল কিনতে পাইকার ও খুচরা ব্যবসায়ীরা আসতে পারছেন না এলাকাতে। এমন অবস্থা চলতে থাকলে ঘুরে দাঁড়ানোর উপায় থাকবে না বলেও শঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

এমন অবস্থা চলতে থাকলে জেলার প্রায় শতাধিক ফুলচাষি এ বছর চরম আর্থিক সংকটে পড়বে। ফুলচাষি কাদের জানান, গতবারের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পহেলা বৈশাখকে ঘিরে প্রচুর ফুল চাষ করেন। কিন্তু লকডাউনের কারণে ফুল বিক্রি করতে পারেননি। বাগানে প্রায় ৩ লাখ টাকার অবিক্রিত ফুল নিয়ে চরম বিপাকে পড়ছেন। এসব ফুল এক সপ্তাহের মধ্যে বিক্রি করতে না পারলে ঝরে পড়ে যাবে।

বাগানে গোলাপের পাশাপাশি গাঁদা, জবা, নাইনটাস, ইন্টার হেনা, গেজনিয়া ও ক্যালেন্ডুলা ফুলের চাষ করেছেন। ফুল বিক্রি করতে না পারায় বাগানেই রয়ে গেছে ফুল।

রংপুরের ফুল ব্যবসায়ী আশরাফুল আলম বলেন, এই সময়টাতে প্রতি মাসে রংপুরের স্থানীয় বাজারে প্রতিদিন লাখ টাকার ফুল বেচাকেনা হয়। বিশেষ দিনগুলোতে তা ৮-১০ লাখও ছাড়ায়। আর রংপুরসহ আশপাশের জেলাতে প্রতি মাসে অন্তত অর্ধ কোটি টাকার বেশি ফুল বেচা-কেনা হয়।
জানা যায়, রংপুরে ছোটবড় মিলে শতাধিক ফুলবাগান রয়েছে। এর মধ্যে নগরসহ আশপাশের এলাকায় গোলাপের বাগান আছে ২০টির মতো। বাকিগুলোতে রয়েছে বিশেষ করে গ্লাডিওলাস, গাঁদা ও রজনীগন্ধা।

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) উদ্যান তত্ত্বের গবেষণা কেন্দ্রের ফুল বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. কবিতা আনজু-মান জানান, এখন বাণিজ্যিকভাবে ব্যাপক ফুলের চাষ হচ্ছে। যা দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে ফুল বিক্রি না হওয়ায় ফুলচাষিরা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখিন হবেন।







Credit: Source link