ঢাকাশুক্রবার , ২৩ জুলাই ২০২১
  • অন্যান্য

লকডাউনে লোকসানে নাটোরের ড্রাগন চাষিরা

admin
জুলাই ২৩, ২০২১ ৯:২২ পূর্বাহ্ন । ৮৩ জন
Link Copied!
agrilive24.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন আমাদের ফেসবুক পেজটি





মহামারি করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে ঘোষিত কঠোর লকডাউনে গত বছরের ন্যায় চলতি বছরেও লোকসান গুনছেন নাটোরের ড্রাগনচাষিরা। এতে করে অনেক চাষিই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

নাটোর জেলা কৃষি সম্প্রপ্রসারণ কার্যালয় এর সূত্রমতে, চলতি বছর জেলায় ৪০ হেক্টর জমিতে ড্রাগন ফলের চাষ হয়েছে। এতে ৬৪০ মেট্রিক টন ফল উৎপাদন হওয়ার কথা। ৫০০ টাকা কেজি দরে হিসাব করলে ওই ড্রাগন ফলের দাম দাঁড়ায় ৩২ কোটি টাকা। অথচ ফলচাষিরা এখন বিভিন্ন আড়তে বর্তমানে মাত্র ১৫০-৩০০ টাকা কেজি দরে ড্রাগন বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন।

চাষীরা জানিয়েছেন, লকডাউনের কারণে ৫০০ টাকা কেজির ড্রাগন ফল এখন মাত্র ১০০-১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। যে কারণে নাটোরের ড্রাগন ফলচাষিরা বড় লোকসানের মুখে পড়েছেন। সব মিলিয়ে লোকসানের পরিমাণ প্রায় ২৬ কোটি টাকা হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে

নাটোর সদর উপজেলার মাঝদিঘা গ্রামের ড্রাগন চাষি গোলাম নবী জানান, ৩০ বিঘা প্রায় ১৪ হাজার ড্রাগন গাছ নিয়ে বাগান করেছেন। বর্তমানে প্রতি কেজি ড্রাগন ১০০ -১৫০ টাকা দরে বিক্রি করতে হচ্ছে। অথচ প্রতি কেজি ড্রাগন উৎপাদনে খরচ ২০০ টাকারও বেশি ।

আহম্মদপুর এলাকার ড্রাগন ফলচাষি মো. সেলিম রেজা জানান, বর্তমানে ড্রাগন কেনার জন্য পাইকাররা আসছেনা। পাইকার এলেও দাম খুবই কম বলে। এতে করে অনেক টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে। এ অবস্থায় সরকার ড্রাগন ফলচাষিদের ভর্তুকি না দিলে অপ্রচলিত ও দামি এই ফলের আবাদ ছেড়ে দিতে বাধ্য হবেন বলেও তিনি জানান।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ কার্যালয়ের উপপরিচালক সুব্রত কুমারবলেন, ড্রাগন অপ্রচলিত ও দামি ফল হওয়ায় এর অধিকাংশ ক্রেতা শহরের। আবারও লকডাউন শুরু হওয়ায় ড্রাগনচাষিরা চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেন।







Credit: Source link