শিং মাছ চাষে রেণু পোনার যত্নে যা যা করতে হবে

0
8
মাছ


শিং মাছ চাষে রেণু পোনার যত্নে যা যা করতে হবে সেগুলো ভালোভাবে জেনেই শিং মাছের চাষ করতে হবে। আগের দিনে নদী-নালা, খাল-বিলে প্রচুর পরিমাণে শিং মাছ পাওয়া যেত, তবে এখন আর তেমন পাওয়া যায় না। তাই অনেকেই পুকুরে শিং মাছের চাষ করে থাকেন। আসুন আজ জেনে নিব শিং মাছ চাষে রেণু পোনার যত্নে যা যা করতে হবে সেই সম্পর্কে-

শিং মাছ চাষে রেণু পোনার যত্নে যা যা করতে হবেঃ


১।   ডিম থেকে রেণু বের হওয়ার ৪৮-৭২ ঘণ্টার মধ্যে আর্টিমিয়া বা সিদ্ধ হাঁসের ডিমের কুসুম রেণু পোনাকে খাওয়াতে হয়।

২।  প্রতি লক্ষ রেণুর জন্য দৈনিক ৪টি সিদ্ধ হাঁসের ডিমের কুসুম ৪ বারে প্রয়োগ করতে হয়। ১-২ দিন পর রেণু পোনা নার্সারি পুকুরে স্থানান্তর করা যায়।

৩।  ডিম ফোটার ৩-৪ দিন পর রেণু পোনাকে ডিমের কুসুম, টিউবিফেক্স, জুপ্লাঙ্কটন বা আর্টিমিয়া খাবার হিসাবে দিতে হবে।

৪। ট্রে বা সিষ্টার্নের কোনার দিকের কিছু অংশ কাল পলিথিন দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। কারণ রেণু পোনা অন্ধকার জায়গা পছন্দ করে এবং দিনের বেলায় অন্ধকার জায়গায় জড় হয়ে অবস্থান করে। রাত্রে সমস্ত ট্রে /শীর্ষস্থানে বিচরণ করে এবং রাত্রে খাবার খেতে বেশী পছন্দ করে।

৫।  হ্যাচারিতে ৮/১০ দিন যত্ন সহকারে প্রতিপালনের পর ডিম পোনা থেকে ধানী পোনায় পরিণত হয়।

আঁতুড় পুকুরে ধানী পোনার যত্নঃ


১। আগে থেকেই ধানী পোনা রাখার একটি আঁতুড় পুকুর তৈরি করে রাখতে হবে।

২।  ৮-১০ দিনের ধানী শিং মাছের পোনা প্রতি শতাংশে ১০-১২ হাজার মজুদ করা যেতে পারে।

৩। ৮-১০ দিনের ধানী মাগুর মাছের পোনার মজুদ ঘনত্ব প্রতি শতাংশে ৮-১০ হাজার হওয়া শ্রেয়।

৪। প্রতি দিন পোনার মোট ওজনের দ্বিগুণ ওজনের খাবার খাবার (যে কোন ভাল মানের ব্রান্ডের নার্সারি ফিড বা চিংড়ি নার্সারি ফিড) ২-৩ বারে দিতে হবে।

৫। ধানী পোনা ছাড়ার ৩০-৪০ দিনের মধ্যে ৫-৭ সেমি (২-৩ ইঞ্চি) লম্বা হয়ে চারা পোনায় পরিণত হয় যা মজুদ পুকুরে স্থানান্তরিত করার উপযুক্ত হয়ে থাকে।


আরও পড়ুনঃ আধুনিক পদ্ধতিতে চাষ হচ্ছে দেশি মাছ


মৎস্য প্রতিবেদন / আধুনিক কৃষি খামার

Credit: Source link

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে