ঢাকাবৃহস্পতিবার , ২৯ এপ্রিল ২০২১
  • অন্যান্য

৫ টাকা কেজির তরমুজ খুচরা বাজারে ১০০ টাকা, ক্ষতিগ্রস্ত চাষি ও ভোক্তারা

admin
এপ্রিল ২৯, ২০২১ ৬:০৮ পূর্বাহ্ন । ১৯৩ জন
Link Copied!
agrilive24.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন আমাদের ফেসবুক পেজটি





৫ টাকা থেকে সাড়ে ৫ টাকা পর্যন্ত কেজি দরে খেতেই তরমুজ বিক্রি করেন চাষিরা। সেই তরমুজ ঢাকা সহ অন্যান্য জেলাশহর গুলোতে বাজারভেদে খুচরায় বিক্রি হয় ৮০-১০০ টাকা কেজি দরে। এতে করে লাভের একটি বিশাল অংশ চলে যাচ্ছে মধ্যস্বত্ত্বভোগীদের পকেটে। যারফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন দেশের প্রান্তিক তরমুজ চাষি ও ভোক্তারা।

তরমুজের এই অস্বাভাবিক দাম বাড়ার বিষয়ে ব্যবসায়ীরা বলছেন, রোজার কারণে তরমুজের চাহিদা বেড়ে গেছে। অন্যদিকে লকডাউনের কারণেও বিভিন্ন অঞ্চল থেকে তরমুজ কম আসছে। এছাড়া তরমুজের মৌসুমও শেষ হয়ে আসছে। গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি পিচ তরমুজের দাম ৫০ থেকে ৭০ টাকা বেড়েছে। পাইকারি বাজারে এখন ৪০০ টাকার নিচে কোন তরমুজের নেই।

লক্ষ্মীপুর শহরে ১০০ টাকা কেজি তরমুজ বিক্রি করা ইব্রাহীম বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার তরমুজের দাম বেশি। গত বছর এমন সময় ৬-৮ কেজি ওজনের একটি তরমুজ বিক্রি করেছি ২০০ টাকার মধ্যে। এবার পিস হিসেবে তরমুজ বিক্রিই হয়নি। শুরু থেকেই কেজি হিসেবে বিক্রি হচ্ছে।

ক্রেতারা জানান, চাষিরা ন্যায্যদাম পাচ্ছেন না তবে ঠিকই লাভের বেশিরভাগ পকেটে ঢুকাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা এটা রীতিমতো অন্যায় কাজ। পাঁচ টাকা কেজির তরমুজ ৮০-১০০ টাকার নিচে কেনা যায় না। আগে পিস হিসেবে কিনলেও এ বছর থেকে কেজিতে কিনতে বাধ্য করছেন ব্যসায়ীরা পাশাপাশি ভোক্তা অধিকার থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন বলে জানান একাধিক ক্রেতা।

এদিকে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীর চালিতাবুনিয়া ইউনিয়নের চর লতা গ্রামের চাষি হামিরুল ফকির এ বছর পাঁচজনের সঙ্গে মিলে ১৮ একর জমিতে তরমুজের আবাদ করেছেন। আবাদে মোট খরচ হয়েছে ১৮ লাখ টাকা। খেতে ২২ হাজার পিস তরমুজ হয়েছে। গড়ে প্রতিটি তরমুজ ১২৫ টাকা দরে বিক্রি করেছেন তাঁরা। খেতে বসেই তিনি তরমুজ বিক্রি করেছেন ২৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। খুচরায় যে দামে ক্রেতারা কিনে খায় এতে করে ক্রেতা সহ চাষিরাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বলে তিনি জানান।







Credit: Source link